ক্যামেরন গ্রিনের বোলিং না করা নিয়ে চিন্তিত রাহানে! কলকাতার ভারসাম্য কি তবে নষ্ট?

ক্যামেরন গ্রিনের বোলিং না করা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নের মুখে কেকেআর!

আইপিএলের মঞ্চে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ঘিরে এখন জোর চর্চা। ২৫.২০ কোটি টাকার বিশাল অঙ্কে কেনা ক্যামেরন গ্রিনকে নিয়ে দলের পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে গ্রিনকে বল করতে দেখা না যাওয়ায় দলের বোলিং ভারসাম্য নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে এই বিষয়টি নিয়ে কিছুটা ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন।

অধিনায়ক রাহানে কী বলছেন?

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে গ্রিনের বোলিং না করার কারণ জানতে চাইলে রাহানে সরাসরি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার দিকে আঙুল তোলেন। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি গ্রিন যখন বল করা শুরু করবে, তখন দলের কম্বিনেশন অন্যরকম হবে। আপাতত আমাদের সেরা বোলিং ভারসাম্য খোঁজার চেষ্টা করতে হচ্ছে।’

বোলিং ইউনিটে গভীর সংকট

কেকেআরের বর্তমান বোলিং লাইন আপে অভিজ্ঞ পেসারের অভাব স্পষ্ট। আশীর্বাদ মুজারাবানি, কার্তিক ত্যাগী এবং বৈভব অরোরাদের মতো তরুণ বোলারদের উপর ভরসা করতে হচ্ছে দলকে। রাহানে স্বীকার করেছেন যে, এটা তাদের জন্য একটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং সময়। তিনি বলেন:

  • দলের স্পিনারদের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানোর জন্য একজন বাড়তি পেসার খুব জরুরি।
  • সুনীল নারাইন এবং বরুণ চক্রবর্তীর মতো অভিজ্ঞ স্পিনারদের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে।
  • কার্তিক, বৈভব এবং উমরান মালিকদের জন্য এটি নিজেদের প্রমাণ করার দারুণ সুযোগ।

গ্রিনের বোলিং নিয়ে ধোঁয়াশা

পরিসংখ্যান বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে গ্রিনের বোলিংয়ের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে কম। শেষ আটটি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে তিনি মাত্র ৭.১ ওভার বল করেছেন। যদিও অনুশীলনে তাকে বল করতে দেখা গেছে, কিন্তু ম্যাচের মূল লড়াইয়ে তিনি কেন বল করছেন না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। রাহানে স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত ক্যামেরন গ্রিন এই মুহূর্তে বল করতে পারছেন না। তবে আশা করছি শীঘ্রই তিনি পুরো দমে বোলিং শুরু করবেন এবং আমাদের দলের ভারসাম্য ফিরে আসবে।’

ব্যাট হাতে কেকেআর ভালো পারফর্ম করলেও বোলিং বিভাগে এই ভারসাম্যহীনতা তাদের দীর্ঘমেয়াদে ভোগাতে পারে। এখন দেখার বিষয়, গ্রিন কবে তার পূর্ণ ফিটনেস ফিরে পান এবং নাইট রাইডার্স এই কঠিন সময় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না!

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *