Category: News

  • ক্যামেরন গ্রিনের বোলিং না করা নিয়ে চিন্তিত রাহানে! কলকাতার ভারসাম্য কি তবে নষ্ট?

    ক্যামেরন গ্রিনের বোলিং না করা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নের মুখে কেকেআর!

    আইপিএলের মঞ্চে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ঘিরে এখন জোর চর্চা। ২৫.২০ কোটি টাকার বিশাল অঙ্কে কেনা ক্যামেরন গ্রিনকে নিয়ে দলের পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে গ্রিনকে বল করতে দেখা না যাওয়ায় দলের বোলিং ভারসাম্য নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে এই বিষয়টি নিয়ে কিছুটা ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন।

    অধিনায়ক রাহানে কী বলছেন?

    ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে গ্রিনের বোলিং না করার কারণ জানতে চাইলে রাহানে সরাসরি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার দিকে আঙুল তোলেন। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি গ্রিন যখন বল করা শুরু করবে, তখন দলের কম্বিনেশন অন্যরকম হবে। আপাতত আমাদের সেরা বোলিং ভারসাম্য খোঁজার চেষ্টা করতে হচ্ছে।’

    বোলিং ইউনিটে গভীর সংকট

    কেকেআরের বর্তমান বোলিং লাইন আপে অভিজ্ঞ পেসারের অভাব স্পষ্ট। আশীর্বাদ মুজারাবানি, কার্তিক ত্যাগী এবং বৈভব অরোরাদের মতো তরুণ বোলারদের উপর ভরসা করতে হচ্ছে দলকে। রাহানে স্বীকার করেছেন যে, এটা তাদের জন্য একটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং সময়। তিনি বলেন:

    • দলের স্পিনারদের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানোর জন্য একজন বাড়তি পেসার খুব জরুরি।
    • সুনীল নারাইন এবং বরুণ চক্রবর্তীর মতো অভিজ্ঞ স্পিনারদের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে।
    • কার্তিক, বৈভব এবং উমরান মালিকদের জন্য এটি নিজেদের প্রমাণ করার দারুণ সুযোগ।

    গ্রিনের বোলিং নিয়ে ধোঁয়াশা

    পরিসংখ্যান বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে গ্রিনের বোলিংয়ের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে কম। শেষ আটটি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে তিনি মাত্র ৭.১ ওভার বল করেছেন। যদিও অনুশীলনে তাকে বল করতে দেখা গেছে, কিন্তু ম্যাচের মূল লড়াইয়ে তিনি কেন বল করছেন না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। রাহানে স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত ক্যামেরন গ্রিন এই মুহূর্তে বল করতে পারছেন না। তবে আশা করছি শীঘ্রই তিনি পুরো দমে বোলিং শুরু করবেন এবং আমাদের দলের ভারসাম্য ফিরে আসবে।’

    ব্যাট হাতে কেকেআর ভালো পারফর্ম করলেও বোলিং বিভাগে এই ভারসাম্যহীনতা তাদের দীর্ঘমেয়াদে ভোগাতে পারে। এখন দেখার বিষয়, গ্রিন কবে তার পূর্ণ ফিটনেস ফিরে পান এবং নাইট রাইডার্স এই কঠিন সময় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না!

  • মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে আজীবন থাকতে চান শার্দূল, হার্দিকের আস্থার প্রতিদান

    মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে আজীবন থাকতে চান শার্দূল, হার্দিকের আস্থার প্রতিদান

    ঘরের ছেলের প্রত্যাবর্তন: মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে থিতু হতে চান শার্দূল ঠাকুর

    দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান! ছয়টি আলাদা ফ্র্যাঞ্চাইজি ঘুরে অবশেষে নিজের ঘরের দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে (MI) ফিরেছেন শার্দূল ঠাকুর। আর ফেরাটা হলো স্বপ্নের মতো। আইপিএল ২০২৬-এর উদ্বোধনী ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের (KKR) বিপক্ষে ৩৯ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার খেতাব জিতে নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার। ওয়াংখেড়ের ব্যাটারদের স্বর্গরাজ্যে শার্দূলের এই পারফরম্যান্স মুম্বাইকে এনে দিয়েছে বহু প্রতীক্ষিত জয়।

    হার্দিকের বার্তা: ‘এখানেই ক্যারিয়ার শেষ করো’

    ম্যাচ পরবর্তী উপস্থাপনায় মুম্বাই অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া শার্দূলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তিনি বলেন, ‘আমি ওকে বলেছি, অনেক ফ্র্যাঞ্চাইজি ঘুরেছ, এবার থামো। আমি চাই তুমি তোমার বাকি ক্যারিয়ারটা এখানেই কাটাও। ও একজন লড়াকু মানুষ, ওর হৃদয়টা অনেক বড়। যেভাবে ও ব্যাটারদের পরাস্ত করার চেষ্টা করে, তা সত্যিই অসাধারণ।’

    চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসেন ‘লর্ড’ শার্দূল

    কেকেআর যখন কোনো উইকেট না হারিয়েই দ্রুত রান তুলছিল, তখন ষষ্ঠ ওভারে বল হাতে তুলে দেওয়া হয় শার্দূলের হাতে। আর এসেই বাজিমাত! ফিন অ্যালেনকে আউট করে মুম্বাইয়ের ম্যাচে ফেরার পথ তৈরি করে দেন তিনি। শার্দূল জানান, ‘আমি চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসি। কঠিন পরিস্থিতিতে বল করাটা আমার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। আজকের পারফরম্যান্স আমার জন্য বিশেষ কিছু।’

    স্মৃতির পাতায় ওয়াংখেড়ে

    ২০১১-২০১৩ সময়কালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের নেট বোলার হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিলেন শার্দূল। আজ সেই মাঠেই ম্যাচসেরা হয়ে তিনি বলেন, ‘এই মাঠের সাথে আমার স্মৃতিগুলো মধুর। নেট বোলার থেকে আজকের এই অবস্থানে আসাটা স্বপ্নের মতো। আমি খুবই খুশি যে মুম্বাই পরিবার আমাকে লখনউ থেকে ট্রেড করে এনেছে এবং প্রথম ম্যাচেই এমন সম্মান দিয়েছে।’

    রায়ান রিকেলটনের ঝোড়ো ইনিংস

    শুধু শার্দূল নন, এই ম্যাচে আলো ছড়িয়েছেন রায়ান রিকেলটনও। কুইন্টন ডি ককের মতো কিংবদন্তি কিপার-ব্যাটার দলে থাকা সত্ত্বেও রিকেলটনের ওপর আস্থা রেখেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। রিকেলটন সেই আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন ৪৩ বলে ৮১ রানের একটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলে। রিকেলটন বলেন, ‘ডি ককের মতো একজন কিংবদন্তির জায়গা পাওয়াটা চাপের ছিল, তবে তার থেকে অনেক কিছু শিখছি। আমরা একে অপরের খুব কাছের বন্ধু এবং ড্রেসিংরুমে তার উপস্থিতি আমার খেলাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।’

    উপসংহার: শার্দূল ঠাকুর এবং রায়ান রিকেলটনের এই পারফরম্যান্স মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ভক্তদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। হার্দিকের নেতৃত্বে এই নতুন মুম্বাই কি পারবে আইপিএলের ট্রফি ঘরে তুলতে? সময় বলে দেবে!

  • বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগে লাহোর কালান্দার্সের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

    বল টেম্পারিংয়ের অভিযোগে লাহোর কালান্দার্সের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

    বল টেম্পারিংয়ের বিতর্ক: উত্তপ্ত পিএসএল

    পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বড় ধরনের বিতর্কের জন্ম দিল লাহোর কালান্দার্স। করাচি কিংসের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ ওভারের ঠিক আগ মুহূর্তে বলের অবস্থা পরিবর্তনের দায়ে শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে শাহিন আফ্রিদির দলকে। আম্পায়াররা তাৎক্ষণিকভাবে লাহোর কালান্দার্সের ওপর পাঁচ রানের পেনাল্টি আরোপ করেছেন, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে নাটকীয়ভাবে।

    ঘটনাটি যেভাবে ঘটল

    ম্যাচের তখন ১৯তম ওভার শেষ। জয়ের জন্য করাচি কিংসের প্রয়োজন ছিল মাত্র ১৪ রান। শেষ ওভারটি করার কথা ছিল হারিস রউফের। বোলিং প্রান্তে আসার আগে শাহিন আফ্রিদি, হারিস রউফ এবং ফখর জামান বলটি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বসেন এবং প্রত্যেকেই বলটি হাতে স্পর্শ করেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই আম্পায়ার ফয়সাল আফ্রিদি বিষয়টি লক্ষ্য করেন এবং সন্দেহবশত বলটি পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেন।

    আম্পায়ারদের কঠোর সিদ্ধান্ত

    স্কয়ার-লেগ আম্পায়ার শরফুদ্দৌলার সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর আম্পায়াররা নিশ্চিত হন যে বলের অবস্থার পরিবর্তন করা হয়েছে। এরপরই কঠোর সিদ্ধান্ত হিসেবে লাহোর কালান্দার্সের ওপর পাঁচ রানের পেনাল্টি আরোপ করা হয় এবং বলটি বদলে ফেলা হয়। এর ফলে করাচি কিংসের জয়ের লক্ষ্যমাত্রা নেমে আসে মাত্র ৯ রানে।

    অধিনায়কের প্রতিক্রিয়া

    আম্পায়ারের এই সিদ্ধান্তে মাঠেই ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় লাহোর কালান্দার্সের অধিনায়ক শাহিন আফ্রিদিকে। ম্যাচ শেষে উপস্থাপনায় তিনি জানান, ঠিক কী কারণে তাদের এই বিশাল অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট নন। তিনি বলেন, “আমরা দেখব আম্পায়াররা কী বলেন।”

    ম্যাচের নাটকীয় সমাপ্তি

    পেনাল্টির এই সিদ্ধান্ত ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয়। শেষ ওভারে হারিস রউফের প্রথম বলে খুশদিল শাহ আউট হলেও, পরের বলে রউফ ওয়াইড বল করেন। এরপর আব্বাস আফ্রিদি একটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে করাচি কিংসকে অবিস্মরণীয় জয় এনে দেন। এই জয়ের ফলে চলতি মৌসুমে নিজেদের দুটি ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে দুর্দান্ত ছন্দে আছে করাচি কিংস। অন্যদিকে, লাহোর কালান্দার্স তাদের দুই ম্যাচের একটিতে জয় ও একটিতে হারের স্বাদ পেল।

  • রাহানে ও রঘুবংশীর ঝোড়ো ফিফটি, মুম্বাইয়ের বিপক্ষে পাহাড়সম রান তুলল কেকেআর

    ওয়াংখেড়েতে নাইটদের জয়জয়কার: মুম্বাইকে রানের পাহাড়ে চাপা দিল কেকেআর

    আইপিএল ২০২৬-এর উদ্বোধনী ম্যাচে ব্যাট হাতে যেন আগুনের গোলা ছুড়লেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের ব্যাটাররা। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের ঘাসের উইকেটে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়ে কেকেআর সংগ্রহ করেছে ২২০ রানের বিশাল সংগ্রহ।

    রাহানে ও রঘুবংশীর দাপট

    ম্যাচের আগে মুম্বাইয়ের উইকেটে প্রচুর ঘাস দেখে খানিকটা অবাক হয়েছিলেন কেকেআর অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে। তবে সেই ঘাস তার ব্যাটিংয়ে কোনো প্রভাবই ফেলেনি। রাহানে যেন ফিরে পেলেন তার চিরচেনা সেই পুরনো ছন্দ। মাত্র ৪০ বলে ৬৭ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলে দলকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করান তিনি। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন তরুণ মুম্বাইয়ের ছেলে অঙ্গকৃষ রঘুবংশী। রঘুবংশী মাত্র ২৯ বলে ৫১ রান তুলে মুম্বাইয়ের বোলারদের নাজেহাল করে তোলেন।

    পাওয়ারপ্লে-তে ঝড় ও ফিন অ্যালেনের অভিষেক

    টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে কেকেআর শুরু থেকেই ছিল আগ্রাসী। পাওয়ারপ্লে-তেই তারা তুলে ফেলে ৭৮ রান। নতুন ওপেনার ফিন অ্যালেন ১৭ বলে ৩৭ রানের এক ঝড়ো ইনিংস উপহার দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন কেন তাকে টিম সেইফার্টের আগে দলে রাখা হয়েছে।

    শার্দুল ঠাকুরের লড়াই ও বুমরাহর কৃপণ বোলিং

    মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে অভিষেক ম্যাচেই বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন শার্দুল ঠাকুর। অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার ৩৯ রানের বিনিময়ে তুলে নেন ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট। অন্যদিকে, জসপ্রীত বুমরাহ আবারও প্রমাণ করলেন কেন তিনি বিশ্বসেরা। অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৪ ওভারে মাত্র ৩৫ রান খরচ করেন তিনি।

    ম্যাচের উল্লেখযোগ্য পরিসংখ্যান

    • অজিঙ্কা রাহানে: ৪০ বলে ৬৭ রান (২৭ বলে অর্ধশতক)।
    • অঙ্গকৃষ রঘুবংশী: ২৯ বলে ৫১ রান (২৮ বলে অর্ধশতক)।
    • রিংকু সিং: ২১ বলে অপরাজিত ৩৩ রান।
    • শার্দুল ঠাকুর: ৩৯ রানে ৩ উইকেট (MI-এর পক্ষে)।

    শেষ দিকে রিংকু সিংয়ের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে কেকেআর দুইশ ছাড়িয়ে ২২০ রানের পাহাড়ে পৌঁছায়। মুম্বাইয়ের বিপক্ষে আইপিএলে এটি কলকাতার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। এখন দেখার বিষয়, মুম্বাইয়ের ব্যাটাররা এই কঠিন লক্ষ্য তাড়া করে জয় তুলে নিতে পারে কি না!

  • লাহোর কালান্দার্সের নিরাপত্তা লঙ্ঘনের অভিযোগ: শাহিন ও রাজার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা

    লাহোর কালান্দার্সের নিরাপত্তা লঙ্ঘনের অভিযোগ: শাহিন ও রাজার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা

    পিএসএল-এ বড় ধরনের বিতর্ক: হোটেল রুমে অননুমোদিত অতিথি নিয়ে বিপাকে শাহিন-রাজা

    পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) সুরক্ষা বলয় ভেঙে বড় ধরনের বিতর্কের মুখে লাহোর কালান্দার্স। দলের অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি এবং তারকা অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজা-র বিরুদ্ধে হোটেল রুমে চারজন অননুমোদিত ব্যক্তিকে ‘জোরপূর্বক’ প্রবেশের সহায়তা করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাঞ্জাব পুলিশ বিষয়টি নিয়ে সরাসরি পিসিবি-র কাছে অভিযোগ জানিয়েছে।

    নিরাপত্তা প্রোটোকল উপেক্ষা করার অভিযোগ

    পাঞ্জাব পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেলের লেখা একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় শুরু হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, শনিবার রাতে কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই চারজন অতিথিকে হোটেলের খেলোয়াড়দের ফ্লোরে নিয়ে যান শাহিন ও রাজা। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, কর্তব্যরত নিরাপত্তা কর্মীরা তাদের বাধা দিলেও তা উপেক্ষা করেই তারা অতিথিগুলোকে হোটেল রুমে নিয়ে যান এবং সেখানে তারা প্রায় তিন ঘণ্টা অবস্থান করেন।

    অনুমতি প্রত্যাখাত হওয়ার পরেও এই কাণ্ড

    ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়:

    • লাহোর কালান্দার্সের লিয়াজোঁ অফিসার চারজন অতিথির প্রবেশের জন্য পিসিবির অনুমতি চেয়েছিলেন, যা নিরাপত্তা বিবেচনায় প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।
    • এরপর দলের মালিক সমীন রানা স্বয়ং পিএসএল সিইও সালমান নাসিরের কাছে অনুমতির অনুরোধ জানালেও তা নাকচ করে দেওয়া হয়।
    • এতবার নিষেধ সত্ত্বেও শাহিন ও রাজা নিরাপত্তা প্রোটোকল ভেঙে অতিথিদের রুমে নিয়ে আসেন।

    কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনাকে ‘প্রতিষ্ঠিত নিরাপত্তা প্রোটোকলের চরম লঙ্ঘন’ বলে অভিহিত করেছে পাঞ্জাব পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে লাহোর কালান্দার্সের মিডিয়া প্রধান উমর ফারুক জানিয়েছেন, তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এবং পিএসএল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রাখছেন। নিরাপত্তার প্রশ্নে আপসহীন পাকিস্তান সুপার লিগ কর্তৃপক্ষ এখন এই দুই খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়, সেটাই দেখার বিষয়।

    টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর নিরাপত্তা বলয়ে থাকা ক্রিকেটারদের জন্য এই ধরনের ঘটনা লিগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে পারে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। এখন দেখার অপেক্ষায়, পিসিবি এই ‘নিরাপত্তা গাফিলতি’র বিরুদ্ধে কী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

  • আইপিএল ২০২৬: রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে অনিশ্চিত ডেওয়াল্ড ব্রেভিস

    চেন্নাই সুপার কিংসের শিবিরে বড় দুঃসংবাদ: রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে নেই ডেওয়াল্ড ব্রেভিস!

    আইপিএল ২০২৬ শুরু হওয়ার আগেই যেন চেন্নাই সুপার কিংসের কপালে চিন্তার ভাঁজ! গুয়াহাটিতে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই মাঠে নামতে পারছেন না দলের বিধ্বংসী ব্যাটার ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। সাইড স্ট্রেইনের কারণে এই প্রোটিয়া তারকাকে মাঠের বাইরে থাকতে হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং।

    অধিনায়ক ধোনি ও এলিসকে ছাড়াই লড়াইয়ের প্রস্তুতি

    শুধু ব্রেভিস নয়, সিএসকে শিবির এখন রীতিমতো ধুঁকছে ইনজুরি সমস্যায়। দলের অভিজ্ঞ পেসার নাথান এলিস পুরো মৌসুম থেকেই ছিটকে গেছেন। সেই সাথে কাফ মাসলের ইনজুরির কারণে মহাতারকা এমএস ধোনিকে সম্ভবত টুর্নামেন্টের প্রথম দুই সপ্তাহ মাঠের বাইরে কাটাতে হবে। সব মিলিয়ে সিএসকে’র প্রথম ম্যাচটি বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে চলেছে। ফ্লেমিং জানিয়েছেন, ব্রেভিসের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে এবং আশা করা হচ্ছে তিনি খুব দ্রুতই ফিরে আসবেন। তবে দলের আরেক পেসার স্পেন্সার জনসন, যিনি এলিসের বদলি হিসেবে দলে এসেছেন, তিনিও এপ্রিলে যোগ দেবেন বলে জানা গেছে।

    ব্রেভিসের অভাব মেটাবে কে?

    ২০২৫ মৌসুমে দুর্দান্ত পারফর্ম করা ডেওয়াল্ড ব্রেভিস ছিলেন সিএসকে’র মিডল অর্ডারের অন্যতম ভরসা। তার অনুপস্থিতিতে দলে নতুন সুযোগের হাতছানি রয়েছে:

    • ম্যাট শর্ট: অভিজ্ঞ এই অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার মিডল অর্ডারে ব্রেভিসের জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।
    • তরুণদের অভিষেক: কার্তিক শর্মা এবং প্রশান্ত বীর, যাদের মোটা অঙ্কের বিনিময়ে দলে নিয়েছে সিএসকে, তারা এই ম্যাচে আইপিএলে নিজেদের অভিষেক ঘটানোর অপেক্ষায় আছেন।
    • অন্যান্য বিকল্প: অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড় ওপেন করবেন সঞ্জু স্যামসনের সাথে। সেক্ষেত্রে তিন নম্বর পজিশনের জন্য সরফরাজ খান এবং উর্বিল প্যাটেলের দিকে তাকিয়ে আছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

    ২০২৫ সালে টেবিলের তলানিতে থেকে শেষ করা চেন্নাই সুপার কিংস এবার নতুন উদ্যমে জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামছে। তবে ধোনি ও ব্রেভিসের মতো গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের ছাড়াই তারা কি রাজস্থান রয়্যালসের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে তাদের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করতে পারবে? উত্তর মিলবে ৩০ মার্চ গুয়াহাটির মহারণে!

  • ব্যক্তিগত কারণে ২০২৬ কাউন্টি মৌসুম মিস করবেন পিটার হ্যান্ডসকম্ব

    ব্যক্তিগত কারণে ২০২৬ কাউন্টি মৌসুম মিস করবেন পিটার হ্যান্ডসকম্ব

    লেস্টারশায়ারের ভক্তদের জন্য দুঃসংবাদ: ২০২৬ মৌসুমে থাকছেন না হ্যান্ডসকম্ব

    ক্রিকেট প্রেমীদের জন্য মন খারাপ করা এক খবর। লেস্টারশায়ারের অধিনায়ক এবং অস্ট্রেলিয়ান তারকা ব্যাটার পিটার হ্যান্ডসকম্ব ব্যক্তিগত কারণে ২০২৬ সালের সম্পূর্ণ কাউন্টি মৌসুম থেকে নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছেন। পারিবারিক দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দিতেই এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে।

    অধিনায়ক থাকছেন হ্যান্ডসকম্বই

    মাঠের বাইরের এই বিরতি সত্ত্বেও ক্লাবের সঙ্গে তার সম্পর্কের কোনো বিচ্ছেদ ঘটছে না। বরং লেস্টারশায়ার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হ্যান্ডসকম্ব ২০২৭ মৌসুম পর্যন্ত ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেছেন। অর্থাৎ, তিনি ক্লাবের অধিনায়ক হিসেবেই বহাল থাকছেন।

    পিটার হ্যান্ডসকম্ব

    লেস্টারশায়ারের জন্য হ্যান্ডসকম্বের অবদান

    ৩৪ বছর বয়সী এই ব্যাটার গত মৌসুমে লেস্টারশায়ারের সাফল্যের অন্যতম কারিগর ছিলেন। ১১টি ম্যাচ খেলে ৪০.০৬ গড়ে ৬০১ রান করে দলকে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম বিভাগে উন্নীত করতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। তার নেতৃত্বেই দীর্ঘ সময় পর লেস্টারশায়ার শীর্ষ পর্যায়ে ফিরেছে।

    ক্লাবের প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী পদক্ষেপ

    লেস্টারশায়ারের ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট ক্লদ হেন্ডারসন বলেন, “পিট আমাদের জন্য কেবল একজন অসাধারণ ব্যাটারই নন, বরং একজন দারুণ নেতা। যদিও এই মৌসুমে তাকে না পাওয়াটা আমাদের জন্য বড় ধাক্কা, তবে তার পারিবারিক সিদ্ধান্তের প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।”

    হ্যান্ডসকম্ব নিজেও তার প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, “পরিবার আমার কাছে সবসময়ই আগে। ক্লাবের এমন সমর্থনের জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আমি দলের প্রতিটি সদস্যের পাশে আছি এবং বিশ্বাস করি, এই দলটি ২০২৬ মৌসুমেও দারুণ কিছু অর্জন করবে।”

    দলের হাল ধরবেন কে?

    পিটার হ্যান্ডসকম্ব অনুপস্থিত থাকায় লেস্টারশায়ার এখন নতুন করে স্ট্যান্ড-ইন অধিনায়ক নির্বাচনের প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের শেষ দিকে যখন হ্যান্ডসকম্ব দেশে ফিরেছিলেন, তখন অলরাউন্ডার ইয়ান হল্যান্ড দলের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। শুক্রবার গ্রেস রোডে সাসেক্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে লেস্টারশায়ারের নতুন মৌসুমের যাত্রা শুরু হবে।

  • MI বনাম KKR: ওয়াংখেড়েতে টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত হার্দিকের, অভিষেক তিন তারকার

    ওয়াংখেড়েতে উত্তাপ! টস জিতেই বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত মুম্বাইয়ের

    আইপিএল ২০২৬-এর উদ্বোধনী ম্যাচ মানেই ক্রিকেট প্রেমীদের জন্য এক বিশাল উৎসব। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এবং কলকাতা নাইট রাইডার্স। টস জিতে মুম্বাই অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মাঠের সবুজ ঘাস দেখে হার্দিক জানিয়েছেন, বোলারদের জন্য এটি বেশ সুবিধাজনক হতে পারে।

    অভিষেকের জোয়ার দুই শিবিরে

    আজকের ম্যাচে দুই দলই নতুন মুখদের ওপর ভরসা রেখেছে। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে অভিষেক হচ্ছে আফগানিস্তানের রহস্যময় স্পিনার এএম গজানফর, শার্দুল ঠাকুর এবং শেরফেন রাদারফোর্ড-এর। অভিজ্ঞ কুইন্টন ডি ককের বদলে রায়ান রিকেলটনকে একাদশে সুযোগ দিয়েছে মুম্বাই।

    অন্যদিকে, কলকাতা নাইট রাইডার্সের শিবিরেও চমক। কেকেআর আজ মাঠে নামাচ্ছে তিন বিদেশি ডেবিউট্যান্টকে—ফিন অ্যালেন, ব্লেসিং মুজারাবানি এবং অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন। উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব সামলাবেন অংকৃষ রঘুবংশী।

    দুই দলের একাদশ

    মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স: রোহিত শর্মা, রায়ান রিকেলটন (উইকেটরক্ষক), তিলক ভার্মা, হার্দিক পান্ডিয়া (অধিনায়ক), শেরফেন রাদারফোর্ড, নামান ধীর, শার্দুল ঠাকুর, মায়াঙ্ক মার্কান্ডে, এএম গজানফর, জসপ্রীত বুমরাহ, ট্রেন্ট বোল্ট। (ইমপ্যাক্ট সাব: সূর্যকুমার যাদব)।

    কলকাতা নাইট রাইডার্স: ফিন অ্যালেন, অজিঙ্কা রাহানে (অধিনায়ক), ক্যামেরন গ্রিন, অংকৃষ রঘুবংশী (উইকেটরক্ষক), রিঙ্কু সিং, রমণদীপ সিং, অনুকূল রায়, সুনীল নারিন, বৈভব অরোরা, বরুণ চক্রবর্তী, ব্লেসিং মুজারাবানি। (ইমপ্যাক্ট সাব: কার্তিক ত্যাগী)।

    পরিসংখ্যান কী বলছে?

    ওয়াংখেড়েতে ঐতিহাসিকভাবে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এগিয়ে থাকলেও, ২০২৪ সাল থেকে কেকেআর তাদের পাল্টা লড়াই দিচ্ছে। ঘরের মাঠে মুম্বাইয়ের দাপট থাকলেও আজকের ম্যাচে দুই দলের লড়াই যে হাড্ডাহাড্ডি হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য। এখন দেখার বিষয়, ওয়াংখেড়ের এই সবুজ পিচে বোলাররা কতটা সুবিধা আদায় করে নিতে পারেন!

  • ষষ্ঠ আইপিএল শিরোপার অপেক্ষায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, নির্ভার মাহেলা জয়াবর্ধনে

    ষষ্ঠ শিরোপার অপেক্ষায় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স: জয়াবর্ধনের চোখে কেবলই ‘প্রসেস’

    পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। অথচ ২০২০ সালের পর থেকে তাদের ট্রফি ক্যাবিনেটে আর কোনো শিরোপা ওঠেনি। তবে এই দীর্ঘ বিরতি বা পরিসংখ্যান নিয়ে মোটেও বিচলিত নন প্রধান কোচ মাহেলা জয়াবর্ধনে। আইপিএল ২০২৬-এর উদ্বোধনী ম্যাচের আগে মুম্বাই শিবিরে এখন আত্মবিশ্বাসের জোয়ার।

    ফলাফলের চেয়ে সংস্কৃতির ওপর জোর

    শিরোপা খরা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জয়াবর্ধনে বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমরা প্রতি বছরই জিততে চাই, তাই এটি গ্যাপ বা বিরতির কোনো বিষয় নয়। আমরা ট্রফির চেয়ে দলের সংস্কৃতি এবং আমরা কীভাবে কাজ করছি, সেটির ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। আমাদের যদি জয়ী মানসিকতা বজায় থাকে, তবে ট্রফি এমনিতেই আসবে।’

    প্রথম ম্যাচ জয়ের খরা কাটানোর লড়াই

    মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জন্য আরেকটি চ্যালেঞ্জ হলো প্রথম ম্যাচের জয়। ২০১২ সালের পর থেকে আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে কোনো জয় নেই তাদের। কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) বিপক্ষে সেই ‘অভিশপ্ত’ রেকর্ড ভাঙার লক্ষ্যেই মাঠে নামছে দলটি। জয়াবর্ধনে বলেন, ‘এটি আমাদের মাথার ওপর একটি বড় বোঝা, কিন্তু প্রস্তুতিতে কোনো পার্থক্য নেই। ছেলেরা উচ্চ তীব্রতায় ক্রিকেট খেলার জন্য প্রস্তুত।’

    বিশ্বকাপ জয়ী তারকাদের ফেরা

    ভারতীয় দলের হয়ে সম্প্রতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতা সূর্যকুমার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়া, তিলক ভার্মা এবং জসপ্রীত বুমরাহর মানসিক অবস্থা নিয়ে কোচ বলেন, ‘বিশ্বকাপ জয়ের পর সেই অ্যাড্রেনালিন রাশ সামলানো কঠিন। আমরা তাদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দিয়েছি যাতে তারা সতেজ হয়ে ফিরতে পারে। তারা আমাদের সেটআপে অভ্যস্ত, তাই মানিয়ে নেওয়াটা খুব একটা কঠিন হবে না।’

    রোহিত শর্মার প্রস্তুতি

    দীর্ঘদিন পর টি-টোয়েন্টিতে ফিরছেন রোহিত শর্মা। তবে তার প্রস্তুতি নিয়ে বিন্দুমাত্র সংশয় নেই জয়াবর্ধনের। তিনি জানান, ‘আমি রোহিতের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তন এবং দায়বদ্ধতা দেখেছি। অনুশীলনে তার হাতের গতি এবং কৌশল দেখে আমি সন্তুষ্ট। ১৮ বছরের আইপিএল অভিজ্ঞতা তার বড় অস্ত্র।’

    • মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের লক্ষ্য: প্রথম ম্যাচে জয়ের ধারা শুরু করা।
    • মূল ভরসা: অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের বুদ্ধিমত্তা ও দলের সুশৃঙ্খল সংস্কৃতি।
    • প্রতিপক্ষ: কলকাতা নাইট রাইডার্স।

    মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স কি পারবে তাদের পুরনো দাপট ফিরিয়ে আনতে? ভক্তদের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে!

  • ১২০ শতাংশ উদ্যমে ফিরেছেন বিরাট কোহলি, আরসিবি-র জয় দিয়ে শুরু আইপিএল অভিযান

    ১২০ শতাংশ উদ্যমে ফিরেছেন বিরাট কোহলি, আরসিবি-র জয় দিয়ে শুরু আইপিএল অভিযান

    আবারও সেই চেনা মেজাজে কিং কোহলি!

    আইপিএলের মঞ্চে আবারও গর্জে উঠলেন বিরাট কোহলি। দীর্ঘ বিরতির পর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ফিরেই যেন এক নতুন অবতারে ধরা দিলেন আরসিবি-র এই সুপারস্টার। চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৯ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে প্রমাণ করে দিলেন, কেন তাকে ক্রিকেটের রাজা বলা হয়।

    বিরাট কোহলির দুর্দান্ত ইনিংস

    ১২০ শতাংশ প্রস্তুত বিরাট

    ম্যাচ শেষে নিজের দুর্দান্ত ফর্ম ও মানসিক অবস্থা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন কোহলি। তিনি জানান, গত ১৫ বছরের ব্যস্ত সূচি এবং প্রচুর ক্রিকেট খেলার পর বিরতি তাকে মানসিকভাবে সতেজ করেছে। কোহলি বলেন, ‘আমি যখনই খেলতে নামি, নিজের ১২০ শতাংশ দিয়ে খেলি। এই বিরতি আমাকে মানসিকভাবে চাঙ্গা করেছে।’

    টি-টোয়েন্টিতে প্রত্যাবর্তন ও জয়ের ধারা

    ২০২৫ সালের আইপিএল ফাইনালের পর এই প্রথম টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ব্যাট হাতে নামলেন কোহলি। ২০২ রানের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে আরসিবি-র হয়ে তার ব্যাট ছিল যেন এক জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি। বিশেষ করে ১৬তম ওভারে হর্ষল প্যাটেলের বিপক্ষে ৬, ৪, ৪, ৪ রান নিয়ে ম্যাচটি একপেশে করে দেন তিনি। তার এই ইনিংসের নেপথ্যে রয়েছে নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স, যা তাকে ছন্দে থাকতে সাহায্য করেছে।

    কোহলির সাফল্যের মূলমন্ত্র:

    • মানসিক সতেজতা: দীর্ঘ বিরতি থেকে ফিরে ক্রিকেটের প্রতি নতুন করে ভালোবাসা ও উত্তেজনা।
    • শারীরিক ফিটনেস: পর্দার আড়ালে কঠোর পরিশ্রম ও ফিটনেসের প্রতি আপসহীন মনোযোগ।
    • ছন্দ ধরে রাখা: ওয়ানডে সিরিজের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের সুবাদে টি-টোয়েন্টিতেও একই রিদম বজায় রাখা।

    আইপিএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আরসিবি তাদের শিরোপা রক্ষার মিশনে যেভাবে শুরু করল, তা নিঃসন্দেহে ভক্তদের মধ্যে এক নতুন স্বপ্ন জাগিয়ে তুলেছে। আগামী ৫ এপ্রিল চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে পরবর্তী লড়াইয়ের অপেক্ষায় এখন ক্রিকেট বিশ্ব। কিং কোহলি কি পারবেন এই ছন্দ ধরে রাখতে? উত্তর দেবে সময়!